শিরোনাম:

মেহেরপুরে হাসপাতালের দরপত্র নিয়ে তত্বাবধায়ককে লাঞ্চিত ॥ সাংসদের ভাইসহ চার আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

image_pdfimage_print

মেহেরপুর নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ০৮ জানুয়ারী ১৮:
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের রুগির পথ্য, স্টেশনারি ও রুগির বস্ত্র ধৌতকরণ দরপত্রকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের তত্তাবধায়ককে লাঞ্চিত করার ঘটনাকে সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। জেলার ১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনকে দরপত্র বাছায় কমিটিতে না রাখায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে গত শনিবার ডা. মিজানুর রহমান বাদি হয়ে সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০৯।
মামলা হয়েছে, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনের ভাই জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সরফরাজ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা ও মেহেরপুর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খোকন, আওয়ামীলীগ কর্মী দেবাশীষ কুমার বাগচি ও ইলিয়াস হোসেন।
মামলার এজাহারে বাদির অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেনের ভাই সরফরাজ হোসেন মৃদুল, আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুল ইসলামসহ আসামিরা তত্বাবধায়কের কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাকে শারিরিক ভাবে লাঞ্চিত করে এবং ২০১৭- ২০১৮ অর্থ বছরের খাবার ও কাপড় ধোয়ার দরপত্রের কাগজসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাগজপত্র নিয়ে যায়।
হাসপাতালের তত্তাবধায়ক মিজানুর রহমান বলেন, মামলা করার পর থেকে তাকে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বিষয়টি জানিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার দরপত্র সংক্রান্ত বেশকিছু বিষয়ে সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই সরফরাজ হোসেন আগাম জানতে এসেছিল। দরপত্র আহবানের পরে সে বিষয়গুলো কাউকে বলা আইন বহির্ভুত বলে তিনি জানান। এতে সরফরাজ ও তার সঙ্গে আশা ৪জন বন্ধু উত্তেজিত হয়ে অফিসের গুরুত্তপূর্ণ কাগজ পত্র নিয়ে চলে যায়। যাওয়ার আগে তাকে শারীরিকভাগে লাঞ্চিত করা হয়।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, এজাহারটি মামলায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য করুন