শিরোনাম:

গাংনী হাসপাতালে এমসি দিতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ॥ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

গাংনী হাসপাতালে এমসি দিতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ॥ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
image_pdfimage_print

মেহেরপুর নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ০৯ অক্টোবর ২০১৭:

মেহেরপুর গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল রিপোর্ট প্রদানের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের তদন্ত শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত প্রতিবেদন পেশ করেছেন তদন্ত কমিটি। ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় বুক বেধেছেন ভুক্তভোগীরা।
বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের বাবু মিয়া নামের এক ব্যক্তি মেডিকেল অফিসার সজিব উদ্দীন স্বাধীনের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।
অভিযোগ তদন্ত কমিটির প্রধান সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ অলোক কুমার সোমবার সকালে বলেন, অভিযোগের বিষয়ে বাদিপক্ষ সাক্ষ্য প্রদান করেন। তদন্তে বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে। সিভিল সার্জন স্যারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেছি। তিনি বিধিবদ্ধ ব্যবস্থা নেবেন। ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। গেল ২৮ সেপ্টেম্বর গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভুক্তভোগীগের লিখিত জবানবন্দি নিয়েছিলেন ডাঃ অলোক কুমার।
সোমবার সকালে মোবাইলে জানতে চাইলে মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডাঃ জিকেএম সামসুজ্জামান বলেন, আমি ঢাকায় আছি। আগামি রোববার অফিসে থাকবো। তদন্ত প্রতিবেদন দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেডিকেল রিপোর্টে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে কয়েকটি পরিবার বেশ কিছুদিন ধরেই ঘুরছেন স্থানীয় প্রশাসন, সাংবাদিক ও নেতাদের কাছে। এ নিয়ে স্থানীয় মানুষের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বারবার একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ না পাওয়ার দোহাই দিয়ে এড়িয়ে গেছে। এখন লিখিত অভিযোগ ও এর তদন্ত হওয়ায় সুষ্ঠু সমাধানের আশা করছেন তারা। মেডিকেল রিপোর্ট পুনর্বিবেচনা ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন সে দিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
প্রসঙ্গত, বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের বাবু মিয়ার পরিবারের কয়েকজন প্রতিবেশীদের হামলায় আহত হন। প্রতিবেশী কয়েকজনও সামান্য আহত হন। কিন্তু মেডিকেল অফিসার ডাঃ সজিব উদ্দীন স্বাধীনের দেয়া মেডিকেল রিপোর্টে তার প্রতিফলন ঘটেনি। পক্ষপাতিত্ব করে তিনি বাবু মিয়ার প্রতিপক্ষের পক্ষে মেডিকেল রিপোর্ট দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বাবু মিয়া। এছাড়াও তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামের দরিদ্র কৃষকের পরিবার ও ভবানীপুর গ্রামের এক ভিক্ষুকের ছেলে একই অভিযোগ করেছেন ডাঃ সজিব উদ্দীনের বিরুদ্ধে। তবে বরাবরই অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করছেন ডাঃ সজিব উদ্দীন।

মন্তব্য করুন