শিরোনাম:

ঈদ বিনোদনে মেহেরপুর জেলা পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

ঈদ বিনোদনে মেহেরপুর জেলা পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা
image_pdfimage_print

মেহেরপুর নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৭:

ঈদ বিনোদনে অবৈধ যানবাহন ব্যাবহার ও বখাটেপনা প্রতিরোধে এবারো মাঠে থাকছে মেহেরপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন শাখা। মেহেরপুর-কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা প্রধান সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ পকেট সড়কে থাকছে চেকপোষ্ট।
মেহেরপুর পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে- ঈদ আনন্দ যেন দুঃখের কারণ না হয়। তরুণ-যুবকরা অনেক সময় যানবাহনে উচ্চস্বরে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে বিরক্তি সৃষ্টি করে। এগুলো কঠোর হস্তে দমন করা হবে। অপরদিকে স্যালো ইঞ্জিন চালিত অবৈধ যানবাহন, যানবাহনে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও মোটর সাইকেলে তিন জন আরোহী পেলে কঠোর ব্যবস্থ নিতে অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জেলাবাসী যাতে নিবিঘেœ ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন তাই পুলিশ টহল বৃদ্ধি ও চেকপোষ্টের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন থেকে প্রায় সপ্তাহখানেক সময় ধরে চলে বেড়ানো। জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের পাশাপাশি অন্য জেলায় গমন করেন মেহেরপুরের মানুষ। অপরদিকে পাশর্^বর্তী জেলাগুলো থেকেও দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। তবে স্যালো ইঞ্জিন চালিত অবৈধ যানবাহনে তরুণ-যুবকদের উচ্ছৃংখল চলাফেরা সাধারণ মানুষের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে পড়ে। অপরদিকে আনাড়ি মোটর সাইকেল চালক ও দ্রতগতির মোটর সাইকেল চালানোর ফলেও ঘটে অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গত কয়েক বছর ধরে তত্পরতা রয়েছে জেলা পুলিশের।
ধর্মীয় রীতিনীতিতে ঈদ আনন্দ উপভোগে রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু দিক নির্দেশনা। এ বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের আলেমবৃন্দ তা তুলে ধরেছেন।
গান-বাজনা করা, অশ্লীল সিনেমা ও নাটক দেখা:
ঈদের দিন উপলক্ষে ঈদমেলা যেখানে গান-বাজনা, অবাধে নারী-পুরুষ বিচরণ ইত্যাদির আয়োজন থাকে এমন মেলা আয়োজন করা, অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা দেয়া সম্পূর্ণ হারাম।
অনুরূপ ঈদ উপলক্ষে বাড়ি-ঘরে গান-বাজনার বিশেষ আয়োজন, নারী-পুরুষের বিশেষ সাক্ষাত ও অবাধে যেখানে সেখানে ঘুরাফেরা, এসবই অমুসলিমদের কালচার।
ঈদের দিনে নারী-পুরুষের বেপরোয়া সাক্ষাৎ:
মেয়েরাও ঈদগাহে যাবে কিন্তু খুবই শালীনতা ও সংযম নিয়ে; বে-পর্দা ও অশালীন ভাবে নয়। অপর পুরুষের সাথে গল্প গুজব ও সৌন্দর্য প্রদর্শন করে নয় ফলে সাওয়াবের পরিবর্তে আরো গুনাহগার হবে। দেখা যায় অন্যান্য সময়ের চেয়ে এই গুনাহের কাজটা ঈদের দিনে বেশি করা হয়। নিকট আত্মীয়দের মাঝে যাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ শরিয়ত অনুমোদিত নয়, তাদের সাথে অবাধে দেখা-সাক্ষাৎ করা হয়।
বিপরীত লিঙ্গের বেশ ধারন:
পোশাক-পরিচ্ছদ, চাল-চলন ও সাজ-সজ্জার ক্ষেত্রে পুরুষের নারী বেশ ধারণ ও নারীদের পুরুষের বেশ ধারণ করা হারাম। ঈদের দিনে এ কাজটি অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়। সূত্র
লেখক: মাওলানা এ এইচ এম আবুল কালাম আযাদ।

মন্তব্য করুন